মসলা চা

এক কাপ সুগন্ধি মসলা চা যেমন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তেমনি ক্লান্তি দূর করতেও অনন্য। রাত জাগা বা কাজের প্রেশার বা মাথা ব্যথা তখন কিন্তু মনে হবে ইস একটু কড়া করে যদি চা হতো মন্দ হতো না। জেনে নিন চা বানাতে কোন মসলা কী পরিমাণে দেবেন।

উপকরণ

দুধ -আড়াই কাপ তরল(জ্বাল দিলে কমে যাবে)

চা পাতা ৩ চা চামচ

লং২/৩ টা

দারচিনি২/৩ টা একটু চিড়ে দিতে হবে

এলাচ/২ টা

তেজপাতা -১ টা

চিনি ইছচা প্রতি কাপে ১ চা চামচ

পরিবেশন – ২ কাপ চা

প্রনালী—

১.প্রথমে দুধ টাকে ফুটিয়ে নিতে হবে এবার গোটা মসলা গুলো দিয়ে জ্বাল দিতে হবে ।

২.যখন দুধ টা একটু ঘন হয়ে আসবে আর মসলা গুলো সুগন্ধ ছড়াবে ঠিক তখন চা পাতি দিয়ে দিতে হবে

৩.২ মিনিট চা টাকে জ্বাল দিতে হবে ।

৪.এবার রং ছাড়তে শুরু করবে এবং দুধ চা কে একটু ঊপর থেকে কাপে ঢেলে ফেলুন ।

তাহলে ঊপরে ফেনা হবে।

৫.মসলা গুলো ছেকে ফেলুন।কারন জ্বাল দেয়াতে দুধে সব পুস্টি রয়ে গেছে।

৬.চাইলে চিনি দিতে পারেন।প্রতি কাপে ১ চা চামচ।

৭.বেশ হয়ে গেল সুগন্ধী দুধ চা।

(গুড়া দুধ দিয়ে করলে আড়াই কাপ পানি আর প্রতি কাপের জন্য ২ চা চামচ করে গুড়া দুধ পানি একটু বেশি নিবেন কারন জ্বাল দিলে কমে যাবে। দুধ চা দুধ টা একটু ঘন হলে মজা হয় বেশি)

টিপস—

এই চা প্রতিদিনের জন্য না কারন ক্যালরী বেশি ।

মসলা চা খুব বেশি মসলা দিলে স্বাদ ঠিক মত পাওয়া যায় না।তাই অনেক মসলা দিবেন না।

এই চা শখ করে ২/১ দিন খেতে পারেন।

মসলা চা অনেক ক্লাল্তি দূর করতে বা অতিরিক্ত মাথা ব্যথা দূর করতে খেতে পারেন।

কেন খাবেন—

মশলা চায়ে ব্যবহার্য সকল মসলাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন।

শুধু গরম মসলার ব্যবহার যেন এক কাপ চা পানের উপকারিতা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।

চায়ে মসলা ব্যবহারের ফলে এরা পরিপাকে সাহায্য করে।

মৌসুমি সর্দি ও কাশি প্রতিরোধেও এই চা অত্যন্ত চমৎকার কাজ দেয়।

Leave a Comment